Apr 24, 2014, 6:51 am (BST)

সংবাদ শিরোনাম

বিভাগীয় সংবাদ : মুন্সীগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা নির্মাণ * মাগুরায় কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন    |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : কানাডার ভানকুভার দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প   |   
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
 
 
 
আবহাওয়া
 
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
 
নামাযের সময়
 
 
 
যশোরের ভবদহে সুফল পাওয়ায় টিআরএমর নতুন প্রকল্প গ্রহণ
 
॥ সাজ্জাদ গনি খাঁন রিমন ॥
যশোর, ২০ মার্চ (বাসস) : যশোরের ভবদহ এলাকার বিল কাপালিয়ায় চালু হচ্ছে টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট (টিআরএম) প্রকল্প। হরিনদীসহ ভবদহের কয়েকটি এলাকায় এ প্রকল্পের প্রাথমিক সুফল পাওয়ায় নতুন করে ওই এলাকায় প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে।
ভবদহ এলাকায় এখন ভাল অবস্থা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে বিল খুকশিয়ায় টিআরএম চালু আছে। তিন বছরের জন্য প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছিল। এর জন্য তিন কোটি টাকা প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে আরও তিন বছর বিল খুকশিয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। খরচ হয়েছে ১৬ কোটি টাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান জানান, টিআরএম হচ্ছে প্রকৃতি থেকে পাওয়া একটি পদ্ধতি। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের নদীগুলোর পদ্মার সাথে সংযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা শুকিয়ে যাওয়ার কারণে অনেক নদ-নদীতে পানি প্রবাহ থাকে না। ফলে পদ্মার সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে নদ-নদীগুলোর সাগরের জোয়ার-ভাটার সাথে সম্পর্ক রয়ে যায়। এ সম্পর্কটি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য অবাধ জোয়ার ভাটা সৃষ্টি করতে কিছু কাজের প্রয়োজন পড়ে। জোয়ারে নিচু বিলে পানি ঢোকে এবং ভাটার সময় বের হয়। এ আসা যাওয়ার ফলে বিলে পলি জমে বিল উঁচু হয়। জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। জোয়ারের সময় পানিতে প্রচুর সিল্ক (বালিসহ এরকমের অন্যান্য উপাদান) থাকে। এসব যাতায়াতের ফলে নদীর নাব্য প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়। নদীর নাব্য বৃদ্ধি পেলে জলাবদ্ধতা তৈরির সম্ভাবনা থাকে না। বিল কাপালিয়ায় যে সব খাল-বিল-নদী রয়েছে তাতে এ পদ্ধতি কাজে লাগালে ওই অঞ্চলের মানুষ সুফল পাবে। এটাকে বলা হয় টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট (টিআরএম)।
তিনি বলেন, বিল কাপালিয়ায় এ প্রকল্পের আওতায় ৭৪ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে।
ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক জমির মালিকদের কাছ থেকে দুবছরের জন্য হুকুম দখল করে নিয়েছেন। প্রায় ২১ হাজার মালিক রয়েছেন ওই জমির। প্রত্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত। সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের বিঘা প্রতি (৩৩ শতক) ১৬ হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ক্ষতিপূরণের অর্থ জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে দেয়া শুরু হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান আরও বলেছেন, এ ধরনের প্রকল্প বিশ্বে আর কোথাও নেই। যশোরের এ প্রকল্প দেখে অনেকে উৎসাহিত হয়েছেন। ইতোমধ্যে জাপান, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও নেদারল্যান্ডস তথ্য আদান প্রদান করছে।
যশোর জেলা প্রশাসক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেখে-শুনে বুঝে প্রকল্পের কাজ করতে হবে। প্রকল্প ব্যর্থ হলে ভবদহ অঞ্চলের মানুষের কাছে ভবিষ্যতে টিআরএম উচ্চারণ করা যাবে না। সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংবাদ পরিবেশন করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ায় কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে তিনি সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের সতর্ক করে দিয়েছেন।
 
 
 
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
সার্বিক তত্ত্বাবধানে : বাসস আই,টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অনলাইন লিমিটেড