পঞ্চগড়, ১৭ সেপ্টেম্বর,২০১২ (বাসস) : পঞ্চগড়ে কৃষকদের মধ্যে চা চাষ ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা চা চাষ করে তাদের আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। শতাধিক পুরুষ মহিলা চা বাগানে চা পাতা তোলার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এতে তারা তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়ে আত্বনির্ভরশীল হচ্ছে।
জানা গেছে ,বর্তমানে পঞ্চগড় জেলায় ২,২০০ একর জমির উপর ছোট-বড় ২৬০ টি চা বাগানে প্রায় ৮ হাজার দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী রয়েছে। যাদের মধ্যে অধিকাংশই কর্মজীবী নারী ।
মাঝারী বাগানের চা উৎপাদনকারীরা সুখী, কারণ তারা ১১ টাকা কেজি দরে উৎপাদিত চা পাতা জেলার তেতুলীয়া চা প্রক্রিয়াকরন কারখানায় এবং করতোয়া টি বাগান সবুজ চা পাতা ত্র“য় করছে ।
বাংলাদেশ টি বোর্ড জেলায় ১৬ হাজার হেক্টর জমি চা চাষের জন্য নির্ধারন করেছে। চা চাষ প্রতি বৎসর পঞ্চগড়ে বিস্তৃত হচ্ছে। অধিকাংশ চা বাগান ছোট আকারের তবে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক তাদের নিজস্ব জমিতে চা চাষ করে চা পাতা প্রস্তুত কারখানা ও কেম্পানীর নিকট বিত্রি“ করছে।
এ ব্যাপারে পঞ্চগড় চেম্বার অফ কর্মাসের সভাপতি ইকবাল কাইসার মিন্টু জানান , পঞ্চগড় অঞ্চলে ব্যাপক আকারে চা চাষের বিস্তৃতি ঘটছে। সেই সাথে কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্ঠি করা সহ অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। চা চাষ হচ্ছে অধিকাংশই ছোট আকারে তবে ছোট, মাঝারী ও প্রান্তিক কৃষকরা চা চাষে আকৃষ্ট হচ্ছে।
মোজাহেদুল আলী বাসসকে জানান যে, তিনি ৮ বিঘা জমিতে চা চাষ করেছেন এবং ২২ বিঘা জমিতে চা চাষের জন্য নির্ধারন করেছেন এবং ১শ থেকে ১২০ কেজি চাপাতা প্রতি সপ্তাহে তার বাগান থেকে উত্তোলন করতে পারছেন। |