ঢাকা, ১২ এপ্রিল (বাসস) : আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে বলে উল্লেখ করা আছে। এ ইশতেহারের সপক্ষে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। এ কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ওয়াদা পালন করবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সভপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য মরহুম মহিউদ্দিন আহমেদ ছিলেন সংগঠক ও
সাহসী পুরুষ। তিনি সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ৩য় তলায় গণতান্ত্রিক লীগ আয়োজিত আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সাবেক সদস্য মরহুম মহিউদ্দিন আহমেদের ত্রয়োদশ ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা এমএ হকের ষোড়শ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইতিহাসবিদ সিরাজউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা শাহ আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, খোরশেদ আলম কবির, শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি আব্দুল জলিল।
আমির হোসেন আমু বলেন, মহিউদ্দিন আহমেদ এ দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের ধারক-বাহক ছিলেন। আজ তিনি বেঁচে থাকলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে সোচ্চার থাকতেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে জাতি দ্বিধা-বিভক্তি থেকে মুক্তি পাবে। এতদিন বিএনপি জনগণকে ভাওতা দিতে চেষ্টা করতো। তারা প্রচার করতো বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছেন। কিন্ত সে যুক্তি আজ ধোপে টিকছেনা। কারণ মরহুম জিয়া ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছেন। তারা এখন যুদ্ধাপরাধীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এটাই স্বাভাবিক। |