Apr 24, 2014, 6:51 am (BST)

সংবাদ শিরোনাম

আন্তর্জাতিক সংবাদ : কানাডার ভানকুভার দ্বীপে শক্তিশালী ভূমিকম্প   |   
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
 
 
 
আবহাওয়া
 
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
 
নামাযের সময়
 
 
 
যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই মন্ত্রিপরিষদে যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী
 
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেই মন্ত্রিপরিষদে যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার পরিচালনা করেছি। সে সময় যেভাবে মন্ত্রিপরিষদে যোগদানের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবারও তা অনুসরণ করা হয়েছে। এতে কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।
তিনি আজ সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার উদ্বোধনী ভাষণে এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ভারতসহ পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশেও মন্ত্রিপরিষদে যোগদানের জন্য এভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আই কে গুজরাল তার জীবনীতে লিখেছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং কেবিনেট সচিবের আমন্ত্রণেই দুই দুইবার তিনি মন্ত্রীর শপথ নিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় যোগদান না করে একজন নেতা কোন সভ্য দেশে এভাবে ডাকা হয় না বলে যে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তা নাকচ করে দিয়ে প্রশ্ন করেন- তাহলে কী ভারত সভ্য দেশ না?
তিনি ওই নেতার উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ২০০৯ সালে যখন মন্ত্রিসভা গঠন করি সেই সময় পত্রিকায় দেখেছি, সাংবাদিকরা যখন ওনাকে মন্ত্রী হচ্ছেন কিনা জিজ্ঞাসা করেছিলেন তখন উনি নিজেই বলেছিলেন এখনও কেবিনেট সচিবের ফোন পাইনি।
শেখ হাসিনা বলেন, মন্ত্রীত্ব কেউ নেবেন কি নেবেন না এটি তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে মন্ত্রিপরিষদে যোগদানের আমন্ত্রণে কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।
তিনি বলেন, আমাদের দলের অনেক সংসদ সদস্য। সবাইকে মন্ত্রী করা সম্ভব নয়। তারপরেও চেষ্টা করেছি যতটুকু করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কৃষক শ্রমিক খেটে-খাওয়া মানুষের উন্নতি করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা সেভাবে কাজ করেছি। তারা ভাল আছেন। কিন্তু যারা আমাদের সরকারের সমালোচনা করে তারা সাধারণ মানুষের ভাল চায় না।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসের যে অভয়ারণ্য ছিল সেখান থেকে দেশে একটি
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছি। এটা সহজ কাজ ছিল না। মন্দার সময়ও খাদ্য প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সমর্থ হয়েছি।
তিনি বলেন, মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা ঘটে। ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই আমরা ব্যবস্থা নিই। তারপরেও অনেক সমালোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট সেক্টরে আমরাই প্রথম টেলিভিশন দিই। এতে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শিল্পী কলাকুশলীদের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেখানে বসে এমন এমন সব কথা বলা হয় যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আমরা সবাইকে টেলিভিশন দিতে পারিনি। সেজন্য অনেকে টকশোতে বিভিন্নভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারকে চোর বলার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমি সেই ব্যক্তিকে বলতে পারিনি টেলিভিশন করার এত টাকা তিনি কোথায় পেয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ৯৬ সালে যখন সরকারে ছিলাম তখন অনেকের চেহারা দেখেছি। তারা আমাদের নির্দেশে কাজ করেছেন এখন আমাদের পরামর্শ দিতে চাইছেন। তিনি বলেন, যারা এখন আমাদের পরামর্শ দিতে চাইছেন তাদের কাছে প্রশ্ন ২০০১ সালে নির্বাচনের পর যখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর ওপর নির্যাতন চলছিল তখন তারা কি করছিলেন?
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকারের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
 
 
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
সার্বিক তত্ত্বাবধানে : বাসস আই,টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অনলাইন লিমিটেড