Apr 19, 2014, 12:58 pm (BST)

সংবাদ শিরোনাম

বাসস প্রধানমন্ত্রী : *মান্নান সরদারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক*   |    জাতীয় সংবাদ : *গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয় : শিক্ষামন্ত্রী *সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান সরদারের ইন্তেকাল *সারাদেশে মাঝারি ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রী*   |    অথর্নীতি : *নৈতিকতার সাথে সার ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী *৫০ লাখ ভারতীয় রুপি উদ্বার, ১জন গ্রেফতার*   |    জাতীয় সংবাদ : *বাংলাদেশে এখন অত্যন্ত অগ্রসর জুরিসপ্রুডেন্স গড়ে উঠেছে : স্পিকার *গণমাধ্যমে কৃষি সংবাদ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে : ইনু *পদ্মা সেতুর কার্যাদেশ শিগগিরই : যোগাযোগমন্ত্রী *   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : *দিল্লীর মসনদে মমতার কিং মেকার হওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : বুদ্ধদেব *ঐক্যের আহ্বান আল-কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরির *এভারেস্টের তুষারধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত *ইয়েমেনে ড্রোন হামলায় ১৫ আল-কায়েদা জঙ্গিসহ নিহত ১৮*   |    বিভাগীয় সংবাদ : *ঝালকাঠিতে ৪৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্প সমাপ্তির পথে*   |   খেলাধুলার সংবাদ : ২০১৫ বিশ্বকাপে ভাল করার জন্য কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে জ্বলে উঠতে উন্মুখ পাকিস্তানের সাঈদ আজমল * আইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা শীর্ষ দশ খেলোয়াড়   |   
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
 
 
 
আবহাওয়া
 
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
 
নামাযের সময়
 
 
 
নীলফামারীতে চামড়া নকশা শিল্পে নারীদের কর্মসংস্থান
 
॥ মোঃ মোজাফফর আলী ॥
নীলফামারী, ২০ সেপ্টেম্বর (বাসস) : নীলফামারীর সৈয়দপুরে চামড়ার ওপর নিখুঁতভাবে নকশা করেন নারীরা। এখানে গড়ে উঠা একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করেন। প্রতিদিন সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দরিদ্র নারীরা এখানে আসেন। তাদের কর্মচাঞ্চল্যে মুখরিত হয়ে উঠে পরিবেশ। আর এম এম ফ্যাশন নামের এই প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় তিনশ নারীর। অসহায় এই নারীদের পরিবারে এখন ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা।
রাজধানীর একটি চামড়া ফ্যাক্টরিতে কাজ করছিলেন লিটন নামের এক তরুণ। ছয় বছর আগে ওই কারখানার কাজ ছেড়ে দিয়ে তিনি চলে আসেন সৈয়দপুরে বাঙালিপুর নিজপাড়া গ্রামে। এলাকায় এসে তিনি তার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আয়-রোজগার করার উদ্যোগ নেন। লিটন জানান, তার ওই উদ্যোগ এত বড় হবে তা তিনি ভাবতে পারেননি। ছোট আকারে কিছু একটা করতে গিয়ে এখন তিনি প্রায় তিনশ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে আরো বড় করার চেষ্টা আছে তার।
শুরুর কথা বলতে গিয়ে লিটন জানান, রংপুর-সৈয়দপুর সড়কের একশ গজ দক্ষিণে একটি পরিত্যক্ত গোডাউন ভাড়া নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন আজ থেকে ছয় বছর আগে। এখানে চামড়ার ওপর বিভিন্ন নকশা, ওয়ালমেটসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরি হয়। বেশ কয়েক বছর প্রতিষ্ঠানটি ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে দেখা যায়, ময়না, চায়না, বেবি, সখিনা, সাবেরাসহ অনেকেই কাজ করছেন মনোযোগ দিয়ে। দেখা গেল তারা চামড়ায় নিখুঁতভাবে নকশা করছেন। কয়েক বছর আগেও যাদের সংসারে অনেক কষ্ট ছিল তাদেরই একজন বেবি জানান, এই চামড়ার ফ্যাক্টরিতে কাজ করায় এখন আর কারো কাছে হাত পাততে হয় না। আগে অভাব ছিল প্রতিদিনের সঙ্গী। এখন সেই খারাপ অবস্থা আর নেই।
ময়না আর সখিনা বললেন, এখন আর তারা সংসারের বোঝা নন। স্বামীর সংসারে গাল-মন্দও শুনতে হয় না। সংসারে অর্থ যোগান দেয়ায় তাদের কদর বেড়েছে। অন্য কয়েকজন জানালেন, তাদের ছেলেমেয়েরাও এখন স্কুলে যায়, লেখাপড়া করে। তারা জানান, এখান থেকে তাদের প্রত্যেকের প্রতিদিন ২শ থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।
ফ্যাক্টরির ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান লিটন জানান, এখানে নিখুঁতভাবে নকশা করা চামড়াগুলো চীন, জাপান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে, অন্যদিকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় করার সুযোগ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় যদি হস্তশিল্পের কারখানা গড়ে উঠতো, তবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি গ্রামের অসহায় নারীরা আয়-রোজগারের পথ খুঁজে পেতো।
 
 
 
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
সার্বিক তত্ত্বাবধানে : বাসস আই,টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অনলাইন লিমিটেড