Apr 23, 2014, 10:12 am (BST)

সংবাদ শিরোনাম

অথর্নীতি : ইইউর প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার হ্রাসে জোর পদক্ষেপ   |   খেলাধুলার সংবাদ : সেমিফাইনালের প্রথম লেগে এ্যাথলেটিকো, চেলসির কেউ জিততে পারেনি   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ইউক্রেন সংকটে কেরির গভীর উদ্বেগ প্রকাশ   |    অথর্নীতি : শরীয়তপুরে গমের বাম্পার ফলন   |    বিভাগীয় সংবাদ : মনিরামপুরে জামায়াতের ১৭ নেতা আটক * বরিশালে পলিথিন বিরোধী মোবাইল কোর্টে ১১ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা   |    জাতীয় সংবাদ : সাভারে অটবির ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ১০ * অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা ॥ উখিয়ায় ২৭ জনকে আটক   |   
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
 
 
 
আবহাওয়া
 
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
 
নামাযের সময়
 
 
 
নীলফামারীতে চামড়া নকশা শিল্পে নারীদের কর্মসংস্থান
 
॥ মোঃ মোজাফফর আলী ॥
নীলফামারী, ২০ সেপ্টেম্বর (বাসস) : নীলফামারীর সৈয়দপুরে চামড়ার ওপর নিখুঁতভাবে নকশা করেন নারীরা। এখানে গড়ে উঠা একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে তারা কাজ করেন। প্রতিদিন সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দরিদ্র নারীরা এখানে আসেন। তাদের কর্মচাঞ্চল্যে মুখরিত হয়ে উঠে পরিবেশ। আর এম এম ফ্যাশন নামের এই প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় তিনশ নারীর। অসহায় এই নারীদের পরিবারে এখন ফিরে এসেছে স্বচ্ছলতা।
রাজধানীর একটি চামড়া ফ্যাক্টরিতে কাজ করছিলেন লিটন নামের এক তরুণ। ছয় বছর আগে ওই কারখানার কাজ ছেড়ে দিয়ে তিনি চলে আসেন সৈয়দপুরে বাঙালিপুর নিজপাড়া গ্রামে। এলাকায় এসে তিনি তার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আয়-রোজগার করার উদ্যোগ নেন। লিটন জানান, তার ওই উদ্যোগ এত বড় হবে তা তিনি ভাবতে পারেননি। ছোট আকারে কিছু একটা করতে গিয়ে এখন তিনি প্রায় তিনশ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে আরো বড় করার চেষ্টা আছে তার।
শুরুর কথা বলতে গিয়ে লিটন জানান, রংপুর-সৈয়দপুর সড়কের একশ গজ দক্ষিণে একটি পরিত্যক্ত গোডাউন ভাড়া নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন আজ থেকে ছয় বছর আগে। এখানে চামড়ার ওপর বিভিন্ন নকশা, ওয়ালমেটসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরি হয়। বেশ কয়েক বছর প্রতিষ্ঠানটি ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে দেখা যায়, ময়না, চায়না, বেবি, সখিনা, সাবেরাসহ অনেকেই কাজ করছেন মনোযোগ দিয়ে। দেখা গেল তারা চামড়ায় নিখুঁতভাবে নকশা করছেন। কয়েক বছর আগেও যাদের সংসারে অনেক কষ্ট ছিল তাদেরই একজন বেবি জানান, এই চামড়ার ফ্যাক্টরিতে কাজ করায় এখন আর কারো কাছে হাত পাততে হয় না। আগে অভাব ছিল প্রতিদিনের সঙ্গী। এখন সেই খারাপ অবস্থা আর নেই।
ময়না আর সখিনা বললেন, এখন আর তারা সংসারের বোঝা নন। স্বামীর সংসারে গাল-মন্দও শুনতে হয় না। সংসারে অর্থ যোগান দেয়ায় তাদের কদর বেড়েছে। অন্য কয়েকজন জানালেন, তাদের ছেলেমেয়েরাও এখন স্কুলে যায়, লেখাপড়া করে। তারা জানান, এখান থেকে তাদের প্রত্যেকের প্রতিদিন ২শ থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।
ফ্যাক্টরির ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান লিটন জানান, এখানে নিখুঁতভাবে নকশা করা চামড়াগুলো চীন, জাপান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে, অন্যদিকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় করার সুযোগ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় যদি হস্তশিল্পের কারখানা গড়ে উঠতো, তবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি গ্রামের অসহায় নারীরা আয়-রোজগারের পথ খুঁজে পেতো।
 
 
 
প্রচ্ছদ | যোগাযোগ | Print
সার্বিক তত্ত্বাবধানে : বাসস আই,টি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অনলাইন লিমিটেড