সংসদ ভবন, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২ (বাসস) : অর্পিত সম্পত্তির দাবিদারদের আবেদন করার সময় এবং কমিটি ও ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির সময়সীমা বৃদ্ধির বিধান করে আজ সংসদে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল ২০১২ পাস করা হয়েছে।
ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
বিলে দেশে বিদ্যমান অর্পিত সম্পত্তির তালিকা তৈরি করে গেজেট আকারে ৩০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা সম্ভব না হলে, সুনির্দিষ্ট কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ৯০ দিনের মধ্যে তালিকা তৈরি করে গেজেট প্রকাশ করার বিধান করা হয়েছে।
বিলে বিদ্যমান আইনের ৯-এর (ক) ধারার সংশোধন করে উপধারা ১-এ উল্লেখিত ১২০-এর পরিবর্তে ৩০০ প্রতিস্থাপনের করা হয়েছে। দুই উপধারার ই-তে তবে শর্ত থাকে যে, ৩০০ দিনের মধ্যে আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত প্রদান করা সম্ভব না হলে জেলা কমিটি কারণ উল্লেখ করে অতিরিক্ত ৯০দিনের মধ্যে আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত প্রদান করবে এবং এ সম্পর্কে সরকারকে লিখিতভাবে অবহিত করার বিধান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে আরো বলা হয়, উক্ত বর্ধিত ৯০ দিনের মধ্যেও আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত প্রদান করা না গেলে জেলা কমিটি আরো ৬০ দিন সময় বর্ধিত করতে পারবে।
বিলে অর্পিত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তির জন্য জেলা কমিটিকে ১৫০ দিন, কেন্দ্রীয় কমিটি, ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালকে ৯০ দিন সময় বাড়ানোর ক্ষমতা দেয়ার বিধান করা হয়েছে।
এছাড়া বিলে বিদ্যমান আইনে বেশকিছু ভুল-ভ্রান্তি দূর করে আইনটিকে অধিকতর সাবলিল, গতিশীল এবং সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করে বিদ্যমান অসঙ্গতি দূর করতে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর আনা হয়েছে।
এ বিল পাসের ফলে সংক্ষুব্দ আবেদনকারীরা অর্পিত সম্পত্তির তালিকা প্রকাশের পর সুবিচার পেতে আবেদন করার পর্যাপ্ত সময় পাবেণ। সাথে সাথে আবেদন যাছাই - বাছাই করে জেলা, কেন্দ্রীয় কমিটি ও ট্রাইবুনালও অধিক সময় পাবেন। এতে আবেনকারী সংক্ষুব্দ ব্যাক্তি ও ব্যাক্তিগণের সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।
স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম বিলের ওপর জনমত যাছাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। |